Get Answer to
your Queries

Enter a valid name
Enter a valid number
Enter a valid pincode
Select a valid category
Enter a valid sub category
Please check this box to proceed further
শ্রী কুমার মঙ্গলম বিড়লা

শ্রী কুমার মঙ্গলম বিড়লা

চেয়ারম্যান,
আলট্রাটেক সিমেন্ট লিমিটেড

শ্রী কুমার মঙ্গলম বিড়লা আদিত্য বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান।

তিনি ভারতে ও বিশ্বে গ্রুপটির সকল প্রধান কোম্পানির বোর্ডের সভাপতিত্ব করেন। সারা বিশ্বে এটির কোম্পানিগুলির মধ্যে রয়েছে নোভেলিস, কলাম্বিয়ান কেমিক্যালস, আদিত্য বিড়লা মিনারেলস, আদিত্য বিড়লা কেমিক্যালস, থাই কার্বন ব্ল্যাক, আলেকজান্দ্রিয়া কার্বন ব্ল্যাক, ডোমসো ফ্যাব্রিকার ও টেরেস বে পাল্প মিল। তিনি ভারতে হিন্ডাল্কো, গ্রাজিম, আলট্রাটেক, ভোডাফোন আইডিয়া ও আদিত্য বিড়লা ক্যাপিটাল লিমিটেডের বোর্ডের সভাপতিত্ব করেন।

বিভিন্ন শিল্পোদ্যোগ জুড়ে গ্রুপটির কাজকর্ম ছড়িয়ে আছে। এটির মধ্যে রয়েছে অ্যালুমিনিয়াম, তামা, সিমেন্ট, বস্ত্রশিল্প (পাল্প, ফাইবার, সুতা, ফেব্রিক ও ব্র্যান্ডেড পোশাক), কার্বন ব্ল্যাক, ইনসুলেটর, প্রাকৃতিক সম্পদ, সৌর শক্তি, কৃষি সংক্রান্ত ব্যবসায়, টেলিকমিউনিকেশন, ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, রিটেল ও ট্রেডিং।

ব্যবসায়িক রেকর্ড

পিতার আকস্মিক মৃত্যুর পর শ্রী বিড়লা মাত্র 28 বছর বয়সে 1995 সালে গ্রুপটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। শ্রী বিড়লা চেয়ারম্যান হিসেবে আদিত্য বিড়লা গ্রুপকে সর্বতোভাবে উচ্চতর বিকাশের পথে নিয়ে গেছেন। গ্রুপটির কর্ণধার হিসেবে 24 বছরে তিনি বিকাশ ত্বরান্বিত করেছেন, গুণতন্ত্র গঠন করেছেন ও স্টেকহোল্ডারদের মূল্য বৃদ্ধি করেছেন।

এই প্রক্রিয়ার মধ্যে তিনি গ্রুপটির টার্নওভার 1995 সালের US$ 2 বিলিয়ন থেকে এখন US$ 48.3 বিলিয়নে বাড়িয়ে তুলেছেন। গ্রুপটি যেসব সেক্টরে কাজ করে, সেগুলির মধ্যে বৈশ্বিক/জাতীয় প্রধান হিসেবে উঠে দাঁড়ানোর জন্য শ্রী বিড়লা কাজকর্মগুলি পুনর্গঠন করেছেন। ভারতে ও বিশ্বে 20 বছরে তিনি 36টি অধিগ্রহণ করেছেন, যেটি ভারতে কোনও ভারতীয় বহুজাতিক দ্বারা সর্বাধিক।

2007 সালে বিশ্বব্যাপী ধাতু সংক্রান্ত শিল্পে প্রধান নোভেলিসের অধিগ্রহণ, যেটি এখনও পর্যন্ত কোনও ভারতীয় কোম্পানির দ্বারা দ্বিতীয় বৃহত্তম অধিগ্রহণ ছিল, সেটি ভারতীয় কোম্পানিগুলির জন্য নতুন মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছিল এবং দেশের মধ্যেও আগ্রহ বাড়িয়ে তুলেছিল। এরপর ইউএস-এর কোম্পানি ও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম কার্বন ব্ল্যাক প্রস্তুতকারক কলাম্বিয়ান কেমিক্যালসের অধিগ্রহণ গ্রুপটিকে এই সেক্টরের 1 নং প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল, যেটি বর্তমানে এটির নিজস্ব বড়সড় কার্বন ব্ল্যাকের কাজকর্ম চালনা করছে। এইভাবে সুইডেনের বিশেষ প্রধানতম পাল্প প্রস্তুতকারক ডোমসো ফ্যাব্রিকারের অধিগ্রহণ গ্রুপটির বৈশ্বিক মর্যাদা সংহত করতে এটিকে পাল্প ও ফাইবার ব্যবসায়ে সক্ষম করেছে। জার্মানিতে পলিমারের কেমিক্যালস ও টেকনোলজি – সিটিপি জিএমবিএইচের অধিগ্রহণটি ছিল আরেকটি দৃষ্টান্তমূলক অধিগ্রহণ।

সম্প্রতি আমাদের গ্রুপ কোম্পানি নোভেলিসের মাধ্যমে শ্রী বিড়লা ইউএস-এর ধাতু সংক্রান্ত প্রধান কোম্পানি অ্যালেরিসের জন্য 2.6 বিলিয়ন ডলারের নিলাম মূল্য প্রস্তাব করেছেন।

এগুলির পাশাপাশি, শ্রী বিড়লা গত কয়েক বছরে কানাডা, চিন, ইন্দোনেশিয়ায় প্রস্তুতকারক কারখানা ও অস্ট্রেলিয়ায় খনি অধিগ্রহণ করেছেন, মিশর, থাইল্যান্ড ও চিনে নতুন কারখানা স্থাপন করেছেন। সেই সঙ্গে, তিনি গ্রুপটির সকল প্রস্তুতকারক কারখানাগুলির সামর্থ্য বাড়িয়ে তুলেছেন।

তিনি ভারতেও কয়েকটি প্রধান অধিগ্রহণ করেছেন, যেগুলির মধ্যে রয়েছে (একটি নির্বাচিত তালিকা) জেপি সিমেন্ট কারখানা, বিনানি সিমেন্ট, লার্সেন অ্যান্ড টুব্রোর সিমেন্ট ডিভিশন, অ্যাল্কানের ইন্ডাল, কোটস ভিয়েলার মাদুরা গার্মেন্টস, কানোরিয়া কেমিক্যালসের ক্লোর অ্যাল্কালি ডিভিশন ও সোলারিস কেমটেক ইন্ডাস্ট্রিজ।

একেবারে সম্প্রতি শ্রী বিড়লার দ্বারা চালিত ভোডাফোন ও আইডিয়ার একত্রিত হওয়ার ফলে এটি ভারতের বৃহত্তম ও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম টেলিকম অপারেটর হয়ে উঠেছে।

যেসব প্রধান সেক্টরে আদত্য বিড়লা গ্রুপ কাজকর্ম করে, সেইসবগুলিতে তাঁর পরিচালনায় এটি প্রধানের মর্যাদা লাভ করেছে। গত কয়েক বছরে শ্রী বিড়লা একটি চূড়ান্ত সফল গুণতন্ত্রের অধিকারী প্রতিষ্ঠান গঠন করেছেন, যেটি 42টি বিভিন্ন দেশে 120,000 জন কর্মীর অনন্যসাধারণ শক্তির মাধ্যমে চালিত হচ্ছে। এওএন হিউইট, ফর্চুন ম্যাগাজিন ও আরবিএল (একটি কৌশলগত এইচআর ও নেতৃত্বের পরামর্শদাতা সংস্থা) দ্বারা আয়োজিত ‘নেতৃত্ব স্থানীয়দের জন্য প্রথম সারির কোম্পানি’ সমীক্ষা 2011-তে আদিত্য বিড়লা গ্রুপ বিশ্বে চতুর্থ ও এশিয়া প্যাসিফিকে প্রথম স্থানাধিকার করেছে। গ্রুপটি 2014-15 নিয়েলসনের কর্পোরেট ইমেজ মনিটরে প্রথম সারিতে থেকেছে এবং লাগাতার তিন বছর ধরে এক নম্বর কর্পোরেট, ‘পদমর্যাদায় সেরা’, হিসেবে উঠে এসেছে। গ্রুপটি 2018 সালে এওএন – হিউইট দ্বারা ‘ভারতে কাজ করার জন্য সেরা নিয়োগকারী’ সম্মানে পুনরায় ভূষিত হয়েছে।

বিভিন্ন নিয়ামক সংস্থায় দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখ্য পদ

শ্রী বিড়লা বিভিন্ন নিয়ামক ও পেশাদারী বোর্ডের কয়েকটি মুখ্য পদাধিকারী। তিনি ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্টরসে একজন ডিরেক্টর ছিলেন। তিনি মিনিস্ট্রি অফ কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স দ্বারা গঠিত পরামর্শদাতা কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন এবং বাণিজ্য ও শিল্পোদ্যোগ বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শদাতা কাউন্সিলেও পরিষেবা প্রদান করেছেন।

কর্পোরেট প্রশাসন বিষয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার (সেবি) চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি “কর্পোরেট প্রশাসন বিষয়ে কুমার মঙ্গলম বিড়লা কমিটির রিপোর্ট” শিরোনামে কর্পোরেট প্রশাসন বিষয়ে প্রথম প্রতিবেদনটি লিখেছিলেন। এটির পরামর্শগুলি ছিল নতুন পথের দিশারী এবং কর্পোরেট প্রশাসনের আদর্শের ভিত্তি হয়ে উঠেছিল। তাছাড়াও, প্রশাসনিক ও আইনগত লঘুকরণ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর টাস্ক ফোর্সের আহ্বায়ক হিসেবে, তাঁর প্রতিবেদনে দেওয়া তাঁর সুপ্রশস্ত পরামর্শগুলি সার্বিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। শ্রী বিড়লা ইনসাইডার ট্রেডিং বিষয়ে সেবি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও পরিষেবা প্রদান করেছেন, যেটির ফলে ভারতীয় কর্পোরেটগুলির জন্য কর্পোরেট প্রশাসনের নীতিগুলি প্রস্তুত হয়েছিল।

তিনি ভারতীয় শিল্পোদ্যোগ সম্মেলনের জাতীয় কাউন্সিলে এবং ভারতের অ্যাসোসিয়েটেড চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষস্থানীয় পরামর্শদাতা কাউন্সিলে রয়েছেন।

শিক্ষাগত প্রতিষ্ঠানগুলির বোর্ডে

শ্রী বিড়লা শিক্ষাগত প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বিখ্যাত বিড়লা ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সের (বিআইটিএস) চ্যান্সেলর, যেটির ক্যাম্পাস পিলানি, গোয়া, হায়েদ্রাবাদ ও দুবাইয়ে রয়েছে।

শ্রী বিড়লা আমেদাবাদের আইআইএম-এর চেয়ারম্যান।

তিনি জি.ডি. বিড়লা মেডিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর।

তিনি লন্ডন বিজনেস স্কুলের এশিয়া প্যাসিফিক পরামর্শদাতা বোর্ডে রয়েছেন এবং তিনি লন্ডন বিজনেস স্কুলের একজন সাম্মানিক ফেলো।

শ্রী বিড়লা রোডস ইন্ডিয়া স্কলারশিপ কমিটির চেয়ারম্যান।

শ্রী বিড়লাকে অর্পিত প্রশংসা

নেতৃত্বদানের প্রক্রিয়ায় ও প্রতিষ্ঠান/সিস্টেম গঠনে তাঁর আদর্শ অবদানের জন্য শ্রী বিড়লা স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। একটি নির্বাচিত তালিকা: 

  • ইন্ডিয়া টুডের “সেরা ও শক্তিমান – ক্ষমতার তালিকা 2018”-তে দ্বিতীয় স্থানাধিকার করেছেন।
  • সিএনবিসি-টিভি18 – আইবিএলএ“2017 সালের অসামান্য ব্যবসায়ী”
  • ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভ্যান – জিআইএল দূরদর্শী নেতৃত্বের পুরস্কার 2* এবিএলএফ গ্লোবাল এশিয়ান পুরস্কার, 2019
  • অ্যামিটি বিশ্ববিদ্যালয়, হরিয়ানা – “ডক্টর অফ ফিলোজফি (ডি.ফিল.) সাম্মানিক”, 2019
  • সিএনবিসি-টিভি18 – আইবিএলএ“2017 সালের অসামান্য ব্যবসায়ী”
  • ফ্রস্ট অ্যান্ড সুলিভ্যানের “দ্য জিআইএল দূরদর্শী নেতৃত্বের পুরস্কার” (বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী নেতৃত্ব) 2017
  • ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশনের (আইএএ) “বছরের সেরা সিইও পুরস্কার 2016”
  • মুম্বাইয়ের রোটারি ক্লাবের সাম্মানিক সদস্য হিসেবে অভিষিক্ত (নভেম্বর 2014) 
  • হ্যালো হল অফ ফেম – বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্ব 2014 (নভেম্বর 2014)
  • ইউএস ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিল (ইউএসআইবিসি) “2014 বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বের পুরস্কার”
  • “বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্ব”, কর্পোরেট উৎকর্ষতার জন্য ইকোনমিক টাইমসের পুরস্কার, 2012-13
  • ইকোনমিক টাইমসের কর্পোরেট ইন্ডিয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতার 100 জন সিইও-র তালিকায় “চতুর্থ স্থানাধিকারী সর্বাধিক ক্ষমতাশালী সিইও (2013)”
  • ইন্দোর ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পুরস্কার “ভারতের জাতীয় বিজনেস আইকন”, 2013
  • ফোর্বস ইন্ডিয়া নেতৃত্বের পুরস্কার – ফ্ল্যাগশিপ অ্যাওয়ার্ড “বছরের সেরা উদ্যোগপতি, 2012”
  • এনডিটিভি প্রফিট ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার 2012 – “সবথেকে অনুপ্রেরণাদায়ক নেতৃত্ব”
  • “দেশের বহুবিধ প্রকৌশলী চিন্তা প্রক্রিয়া যুক্ত করে উত্তম প্রকৌশলী পণ্যাদি প্রবর্তনের জন্য” তাঁর ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরপ কর্ণাটকের বিশ্বেস্বরায়া প্রায়োগিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা বিজ্ঞানের ডক্টর ডিগ্রি (সাম্মানিক), 2012
  • ন্যাসকমের “বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার”, 2012।
  • “ভারতকে বিদেশে প্রতিষ্ঠা করার” জন্য সিএনবিসি-টিভি18 ইন্ডিয়া ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার 2012
  • কোন্ডে ন্যাস্ট গ্লোবালের একটি শাখা কোন্ডে ন্যাস্ট ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে “জিকিউ বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার – 2011”
  • “সবথেকে অসাধারণ ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব ও উদীয়মান সেক্টর সহ অধিকাংশ ব্যবসায় থেকে সফলতা অর্জনের জন্য” “সিএনএন-আইবিএন বছরের সেরা ভারতীয় 2010 – ব্যবসা ক্ষেত্র”, 2010
  • দ্য অল ইন্ডিয়া ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএমএ) ম্যানেজিং ইন্ডিয়া পুরস্কার 2010, “বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্ব”, 2010 
  • দ্য এআইএমএ – “আরডি টাটা কর্পোরেট নেতৃত্বের পুরস্কার”, 2008
  • “ব্যবসায়িক প্রশাসনে তাঁর অমূল্য অবদানের স্বীকৃতিতে” জি.ডি. পন্ত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা বিজ্ঞানের সাম্মানিক ডক্টর ডিগ্রি, 2008
  • “প্রযুক্তির বিকাশে ও শিল্পোদ্যোগে দেশকে অন্যান্য দেশের সমকক্ষ করার অবদানের জন্যও” তামিলনাড়ুর এসআরএম বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্যে ডক্টর ডিগ্রি ভূষিত করেছে, 2008
  • দ্য এশিয়া প্যাসিফিক গ্লোবাল এইচআর উৎকর্ষতা – “আদর্শ স্থানীয় নেতৃত্ব” পুরস্কার, 2007
  • এনডিটিভি প্রফিট দ্বারা সেটির ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার বিভাগে “বছরের সেরা বিশ্বব্যাপী ভারতীয় নেতৃত্ব”, 2007 
  • দ্য লক্ষ্মীপত সিঙ্ঘানিয়া – আইআইএম, লখনউ “জাতীয় নেতৃত্বের পুরস্কার, ব্যবসায়িক নেতৃত্ব”, 2006 
  • জুন 2006-এ মন্টে কার্লো, মোনাকোতে আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং বিশ্বের উদ্যোগপতি পুরস্কারে তিনি ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, যেখানে তিনি “আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং বিশ্বে বছরের সেরা উদ্যোগপতি অ্যাকাডেমির সদস্য” হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন 
  • “আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং বছরের সেরা উদ্যোগপতি” পুরস্কার, 2005 
  • বিজনেস টুডে দ্বারা “সিইও বিভাগে তরুণ সুপার পারফর্মার”, 2005 
  • “বিশ্বব্যাপী তরুণ নেতৃত্বদের” একজন হিসেবে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডাভোস) দ্বারা নির্বাচিত, 2004 
  • বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা “ডি.লিট. (সাম্মানিক) ডিগ্রি”, 2004 
  • সর্বভারতীয় ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা “সাম্মানিক ফেলোশিপ”, 2004 
  • কর্পোরেট উৎকর্ষতার জন্য ইকোনমিক টাইমসের পুরস্কার “বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্ব”, 2002-2003 
  • বিজনেস ইন্ডিয়া দ্বারা “বছরের সেরা ব্যবসায়ী – 2003” 
  • মুম্বাই প্রদেশ যুব কংগ্রেস দ্বারা “ব্যবসায়িক উৎকর্ষতা ও দেশের প্রতি তাঁর অবদানের” জন্য রাজীব গান্ধী পুরস্কার, 2001 
  • জাতীয় এইচআরডি নেটওয়ার্ক, “বছরের সেরা অসামান্য ব্যবসায়ী”, 2001 
  • ইন্সটিটিউট অফ ডিরেক্টর্সের “ব্যবসায়িক নেতৃত্বের জন্য স্বর্ণ ময়ূর জাতীয় পুরস্কার”, 2001 
  • হিন্দুস্তান টাইমস, “বছরের সেরা ব্যবসায়ী”, 2001 
  • বম্বে ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন – “বছরের সেরা ম্যানেজমেন্ট ব্যক্তিত্ব, 1999-2000” 
  • “কর্পোরেট ফাইন্যান্সের 10 জন সুপারস্টারের মধ্যে” – গ্লোবাল ফাইন্যান্স, 1998 
  • “ভারতের সবথেকে প্রশংসিত ও সম্মানিত সেরা 10 জন সিইও ও আগামী সহস্রাব্দের প্রথম সারির সিইও-র মধ্যে”, বিজনেস ওয়ার্ল্ড, 1998 017 
  • ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশনের (আইএএ) “বছরের সেরা সিইও পুরস্কার 2016” 
  • মুম্বাইয়ের রোটারি ক্লাবের সাম্মানিক সদস্য হিসেবে অধিষ্ঠিত (নভেম্বর 2014) 
  • হ্যালো হল অফ ফেম – বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্ব 2014 (নভেম্বর 2014) 
  • ইউএস ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিল (ইউএসআইবিসি) “2014 বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বের পুরস্কার” 
  • কর্পোরেট উৎকর্ষতার জন্য ইকোনমিক টাইমসের পুরস্কার, “বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্ব”, 2012-13 
  • ইকোনমিক টাইমসের কর্পোরেট ইন্ডিয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতার 100 জন সিইও-র তালিকায় “চতুর্থ স্থানাধিকারী সর্বাধিক ক্ষমতাশালী সিইও (2013)” 
  • ইন্দোর ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পুরস্কার “ভারতের জাতীয় বিজনেস আইকন”, 2013 
  • ফোর্বস ইন্ডিয়া নেতৃত্বের পুরস্কার – ফ্ল্যাগশিপ অ্যাওয়ার্ড “বছরের সেরা উদ্যোগপতি, 2012” 
  • এনডিটিভি প্রফিট ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার 2012 – “সবথেকে অনুপ্রেরণাদায়ক নেতৃত্ব” 
  • “দেশের বহুবিধ প্রকৌশলী চিন্তা প্রক্রিয়া যুক্ত করে উত্তম প্রকৌশলী পণ্যাদি প্রবর্তনের জন্য” তাঁর ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরপ কর্ণাটকের বিশ্বেস্বরায়া প্রায়োগিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা বিজ্ঞানের ডক্টর ডিগ্রি (সাম্মানিক), 2012 
  • ন্যাসকমের “বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার”, 2012 
  • “ভারতকে বিদেশে প্রতিষ্ঠা করার” জন্য সিএনবিসি-টিভি18 ইন্ডিয়া ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার 2012 
  • কোন্ডে ন্যাস্ট গ্লোবালের একটি শাখা কোন্ডে ন্যাস্ট ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের পক্ষ থেকে “জিকিউ বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার – 2011” 
  • “সবথেকে অসাধারণ ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব ও উদীয়মান সেক্টর সহ অধিকাংশ ব্যবসায় থেকে সফলতা অর্জনের জন্য” “সিএনএন-আইবিএন বছরের সেরা ভারতীয় 2010 – ব্যবসা ক্ষেত্র”, 2010 
  • দ্য অল ইন্ডিয়া ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএমএ) ম্যানেজিং ইন্ডিয়া পুরস্কার 2010, “বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্ব”, 2010 
  • দ্য এআইএমএ – “জেআরডি টাটা কর্পোরেট নেতৃত্বের পুরস্কার”, 2008 
  • “ব্যবসায়িক প্রশাসনে তাঁর অমূল্য অবদানের স্বীকৃতিতে” জি.ডি. পন্ত কৃষি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা বিজ্ঞানের সাম্মানিক ডক্টর ডিগ্রি, 2008 
  • “প্রযুক্তির বিকাশে ও শিল্পোদ্যোগে দেশকে অন্যান্য দেশের সমকক্ষ করার অবদানের জন্যও” তামিলনাড়ুর এসআরএম বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্যে ডক্টর ডিগ্রি ভূষিত করেছে, 2008 
  • দ্য এশিয়া প্যাসিফিক গ্লোবাল এইচআর উৎকর্ষতা – “আদর্শ স্থানীয় নেতৃত্ব” পুরস্কার, 2007 
  • এনডিটিভি প্রফিট দ্বারা সেটির ব্যবসায়িক নেতৃত্বের পুরস্কার বিভাগে “বছরের সেরা বিশ্বব্যাপী ভারতীয় নেতৃত্ব”, 2007 
  • জুন 2006-এ মন্টে কার্লো, মোনাকোতে আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং বিশ্বের উদ্যোগপতি পুরস্কারে তিনি ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, যেখানে তিনি “আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং বিশ্বে বছরের সেরা উদ্যোগপতি অ্যাকাডেমির সদস্য” হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন 
  • “আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং বছরের সেরা উদ্যোগপতি” পুরস্কার, 2005 
  • বিজনেস টুডে দ্বারা “সিইও বিভাগে তরুণ সুপার পারফর্মার”, 2005 
  • “বিশ্বব্যাপী তরুণ নেতৃত্বদের” একজন হিসেবে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডাভোস) দ্বারা নির্বাচিত, 2004 
  • বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা “ডি.লিট. (সাম্মানিক) ডিগ্রি”, 2004 
  • সর্বভারতীয় ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা “সাম্মানিক ফেলোশিপ”, 2004 
  • কর্পোরেট উৎকর্ষতার জন্য ইকোনমিক টাইমসের পুরস্কার “বছরের সেরা ব্যবসায়িক নেতৃত্ব”, 2002-2003 
  • বিজনেস ইন্ডিয়া দ্বারা “বছরের সেরা ব্যবসায়ী – 2003” 
  • মুম্বাই প্রদেশ যুব কংগ্রেস দ্বারা “ব্যবসায়িক উৎকর্ষতা ও দেশের প্রতি তাঁর অবদানের” জন্য রাজীব গান্ধী পুরস্কার, 2001 
  • জাতীয় এইচআরডি নেটওয়ার্ক, “বছরের সেরা অসামান্য ব্যবসায়ী”, 2001 
  • ইন্সটিটিউট অফ ডিরেক্টর্সের “ব্যবসায়িক নেতৃত্বের জন্য স্বর্ণ ময়ূর জাতীয় পুরস্কার”, 2001 
  • হিন্দুস্তান টাইমস, “বছরের সেরা ব্যবসায়ী”, 2001 
  • বম্বে ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন – “বছরের সেরা ম্যানেজমেন্ট ব্যক্তিত্ব, 1999-2000” 
  • “কর্পোরেট ফাইন্যান্সের 10 জন সুপারস্টারের মধ্যে” – গ্লোবাল ফাইন্যান্স, 1998 
  • “ভারতের সবথেকে প্রশংসিত ও সম্মানিত সেরা 10 জন সিইও ও আগামী সহস্রাব্দের প্রথম সারির সিইও-র মধ্যে”, বিজনেস ওয়ার্ল্ড, 1998

ব্যবসায় ছাড়াও: সমাজের প্রান্তিক মানুষদের কাছে পৌঁছনো

শ্রী বিড়লা ট্রাস্টি ধারণায় গভীরভাবে বিশ্বাস করেন, তিনি আদিত্য বিড়লা গ্রুপে যত্ন নেওয়া ও বিলিয়ে দেওয়ার ধারণাটি সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর নির্দেশে গ্রুপটি অর্থপূর্ণ কল্যাণমূলক কাজকর্মে যুক্ত হয়েছে, যেটি ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন্স ও মিশরের দারিদ্র্যতায় রিক্ত শত শত গ্রামে বসবাসকারী সমাজের দুর্বল মানুষদের জীবনের মানের উপর বিশেষ প্রভাব ফেলেছে।

শ্রী বিড়লার পরিচালনায় গ্রুপটি প্রায় 250 কোটি টাকা সিএসআর বিনিয়োগ করেছে।

গ্রুপটি ভারতের 5,000টি গ্রামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বছরে 7.5 মিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছয় এবং স্বাস্থ্য পরিচর্যা, শিক্ষা, শক্তিশালী জীবনধারণ, পরিকাঠামো ও সামাজিক সমস্যাগুলির প্রতি লক্ষ্য রেখে যথাযথভাবে নানা প্রকল্প গড়ে তুলে তাঁদের জীবনে পরিবর্তন আনছে। যেমন, গ্রুপটি 56টি বিদ্যালয় চালনা করে যেগুলি 45,000 শিশুকে মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান করে। তাঁদের মধ্যে 18,000-এর বেশি শিশু অনুন্নত সম্প্রদায়গুলি থেকে এসেছে। তাছাড়া, শিক্ষাগত প্রকল্প ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সংযোগে 100,000-এর বেশি যুবক-যুবতী সুফল লাভ করছেন। এটির 22টি হাসপাতাল এক মিলিয়নের বেশি গ্রামবাসীদের দিকে খেয়াল রাখে। শক্তিশালী বিকাশের প্রতি এটির অঙ্গীকারের মানানসই হয়ে মুম্বাইতে কলাম্বিয়া গ্লোবাল সেন্টার’স আর্থ ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার জন্য এটি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলির জীবনযাপনের সঙ্গে সিএসআর-কে প্রোথিত করার জন্য এটি দিল্লিতে এফআইসিসিআই – আদিত্য বিড়লা সিএসআর সেন্টার ফর এক্সিলেন্স স্থাপন করেছে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

শ্রী বিড়লা মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিষয়ে স্নাতক হয়েছেন ও তিনি একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। তিনি লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ অর্জন করেছেন।

ব্যক্তিগত বিবরণ

শ্রী বিড়লা জুন 14, 1967-তে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন ও মুম্বাইতে বড় হয়েছেন। শ্রী বিড়লা ও তাঁর স্ত্রী শ্রীমতী নীরজা বিড়লার তিনটি সন্তান আছে, অনন্যাশ্রী, আর্যমান বিক্রম এবং অদ্বৈতেষা।

সামাজিক ফিড

Tweets by @UltraTechCement
LOADING...